যশোর জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

যশোর জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

যশোর জেলার দর্শনীয় স্থান

যশোর

ইতিহাস পর্যালোচনায় যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ। যশোর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজ্যের অন্তরভূক্ত থাকার পর সর্বপ্রথম ১৭৮১ সালে সর্বপ্রথম যশোর আত্মপ্রকাশ করে। যশোর খুলনা বিভাগের অধীনের একটা জেলা। যশোর আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের ১৩ তম বৃহত্তম উপজেলা। ৮ টি উপজেলা, ৮ টি পৌরসভা, ৯৩ টি ইউনিয়ন, ১৪৭৭ টি গ্রাম ও ৯টি থানা নিয়ে গঠিত এই জেলা। এই জেলার আয়তন ৬৬৭৪ বর্গ কিলো মিটার ও এখানে মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৮,৬৯,৫৩৯ জন।

যশোর জেলার দর্শনীয় স্থান্গুলো :

  • মহাকবি মাইকেল মধু সূদন দত্তের বাড়ি
  • ধীরাজ ভট্রাচার্যের বাড়ি
  • বেনাপোল স্থল বন্দর
  • বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক
  • দমদম পীরের ডিবি
  • খান জাহান আলী জামে মসজিদ
  • যশোর আইটি পার্ক
  • হাজী মোহাম্মদ মহসিন ইমামবাড়া
  • শেখপুর জামে মসজিদ
  • দমদম পীরের ঢিবি
  • চাঁচড়া জমিদার বাড়ি
  • চাচঁড়া শিব মন্দির
  • কায়েম কোনা মসজিদ
  • এগারো শিব মন্দির

এবার যশোর জেলার দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাকঃ-

মহাকবি মাইকেল মধু সূদন দত্তের বাড়ি

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে অবস্থিত মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাড়ি। ১৮২৪ সালে মধুসূদন দত্ত এখানে জন্মগ্রহণ করেনে।একটি জাদুঘর রয়েছে এখানে। তাছাড়া আরো রয়েছে পুকুরঘাট, কবির ব্যাবহৃত বিভিন্ন জিনিস ও কয়েকটি ভবন।

এই বাড়িটির প্রবেশ পথে রয়েছে মধুসূদন দত্তের একটি ভাষ্কর্য যা নির্মান করেন শিল্পী বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস। জাদুঘরটিতে রয়েছে কবির ব্যাবহৃত বিভিন্ন জিনিস। জাদুঘরটীর পাশেই রয়েছে একটি পাঠাগার যেখানে কবির লেখা প্রায় সব বই দিয়ে আলোড়িত করা হয়েছে। বাড়িটি বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বেনাপোল স্থল বন্দর

বেনাপোল বাংলাদেশের সব থেকে স্থল বন্দর। এওটী যশোর জেলার শর্মা উপজেলায় অবস্থিত। এটির ভারতের ভেতরের ভেতরের অংশের নাম পেট্রাপোল। মৈত্রী এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন এই স্থলবন্দরের ভেতর দিয়ে চলাচল করে। এছাড়াও এখানে দিয়ে যাতাযাত করে অসংখ্য লাক্সারিয়াস বাস। বেনাপোল থেকে কলকাতা শহরের দূরত্ব মাত্র ৮০ কিঃমি।

হাজী মোহাম্মদ মহসিন ইমামবাড়া

এই ইমামবাড়াটি তৈরি করেন হাঝি মন্নুজান খানম। মন্নুজান ১৭শ শতকের শেষের দিকে এ অঞ্চলের সম্পত্তির অধিকার পেয়েছিলেন। সম্পর্কে  তিনি হাজি মোহাম্মদ মহসিনের বৈপিত্রেয়ী বোন ছিলেন। মন্নুজান মৃত্যুর আগে ১৮০৩ সালে এই ইমামবাড়াসহ তার সব সম্পত্তি হাজি মোহাম্মদ মহসিনকে দিয়ে দেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এই ইমামবাড়াটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

যশোর আইটি পার্ক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর যশোর আইটি পার্ক উদ্বোধন করেন । শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক যা সংক্ষেপে যশোর আইটি পার্ক নামে পরিচিত। এটি বাংলাদেশের  প্রথম আইটি পার্ক। ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল যশোর শহরের বেজপাড়ার নাজির সংকরপুর এলাকায় এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। এই পার্কেটি বর্তমানে নির্মাধীন রয়েছে। আইটি পার্ককে নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে যে, আইটি পার্কটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে দেশে অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বিশেষকরে বেকারদের জন্য, অনেক বেকারত্বের অবসান হবে আশা করা হচ্ছে।

চাঁচড়া শিব মন্দির

এই মন্দিরের বয়স ৩২৫ বছর। যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া গ্রামে এই শিব মন্দির অবস্থিত। পুরো মন্দির পোড়ামাটির ফলক দিয়ে তৈরী করা হয়েছে। টেরাকোটার কাজ হওয়ার জন্য বাইরের দিক ভয়ংকর সুন্দর। এটি নির্মাণে জন্য ব্যাবহার করা হয়েছে চুন, সুরকি। মহাসড়ক থেকে দেখা যায় শিবমন্দিরটি। প্রতিদিন অনেক মানুষের সমাগম হয় এখানে।

Sourav Das

Hi,

I am Sourav Das. I have been writing on Jibhai for about 1 year. This is my site and I am a part of Jibhai.

Thanks

About Sourav Das

Hi,I am Sourav Das. I have been writing on Jibhai for about 1 year. This is my site and I am a part of Jibhai.Thanks

View all posts by Sourav Das →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *