মোবাইল ফোন

মোবাইল ফোন

মোবাইল ফোন

মোবাইল ফোন অনুচ্ছেদ
মোবাইল ফোন ছবি-১
মোবাইল ফোন আধুনিক
মোবাইল ফোন ছবি-২
স্মার্টফোন এর ছবি
মোবাইল ফোন ছবি-৩
মোবাইল ফোন এর ছবি
মোবাইল ফোন ছবি-৪

মোবাইল ফোন কী?

মোবাইল ফোন কি
মোবাইল ফোন

মোবাইল অর্থ স্থানান্তরযোগ্য বা ভ্রাম্যমান। অর্থাৎ, খুবই সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। মোবাইল ফোন অনেক নামেই পরিচিত যেমন, সেলফোন, সেলুলারফোন, হ্যান্ডফোন বা মুঠোফোন। ইংরেজি প্রতিশব্দ Mobile phone.

মোবাইল ফোন অতি সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা এবং ব্যবহার করা যায় বলে এর নাম মোবাইল ফোন করা হয়েছে। মোবাইলফোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে। মোবাইল অপারেটররা তাদের সেবা অঞ্চলকে বিভিন্ন জ্যামিতিক আকার যেমন, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, পঞ্চভুজ বা ষড়ভুজ ইত্যাদি ক্ষেত্র বা সেলে বিভক্ত করে ফেলে। সাধারণত ষড়ভুজ আকৃতির সেল বা ক্ষেএ বেশি পরিচিত। প্রত্যেকটি অঞ্চলেই মোবাইল সেবা সঠিকভাবে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক নেটওয়ার্ক স্টেশন থাকে। অনেকগুলো সেলে বিভক্ত করা হয় এই অঞ্চলগুলোকে। এভাবে অনেকগুলো সেলে বিভক্ত করে সেবা সরবারহ করার কারনে এটি সেলফোন নামেও বেশ পরিচিত। মোবাইল ফোন বেতারের তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ করে বলে অনেক বড় এবং একটি নির্দিষ্ট  ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে সঠিকভাবে সংযোগ দিতে পারে।

মোবাইল ফোন আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষ্ময়কর একটি আবিষ্কার। বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোনের সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায় না। মোবাইল ফোন আসার আগে মানুষ বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করতে যেমনঃ চিঠি লিখে, তারও বহুকাল আগে ছিল কবুতরের মাধ্যমে। কিন্তু এই সকল মাধ্যম গুলো ছিল অনেকটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার এবং এই মধ্যম গুলোতে অনেক ঝুকিও ছিল। কিন্তু মোবাইল ফোন আসার পর থেকে এই সকল সমস্যা আর নেই। বর্তমানে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন আবিষ্কারের ফলে কোন বন্ধু-বান্ধব বা অন্য কারো চিঠির উওরের আশায় বসে থাকতে হয় না।  শুধু একটি নির্দিষ্ট ভূ-সীমার ভেতর তাইও না পুরো বিশ্বের সাথেই এটির মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায় এক নিমিষেই। মোবাইলফোন এখন মানুষের জীবনে এক অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এটি ছাড়া মানুষের সময় কাটে না বল্লেও বেশি একটা ভুল বলা হবে না। কারন বিজ্ঞান-প্রযুক্তির এই যুগে দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজই হয়ে উঠেছে অনেক সহজ। যেমন উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় বিদ্যুদ বিল যা আগে নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হত কিন্তু এখন ঘরে বসে অতি সহজেই মাত্র কয়েক মিনিটেই প্রেরণ করা সম্ভব।

মোবাইল ফোন আবিষ্কারের ইতিহাস

মোবাইল ফোন আবিষ্কারের ইতিহাস, invention of mobile phone
মোবাইল ফোন আবিষ্কার

আলেকজেন্ডার গ্রাহাম বেল ১৮৭৬ সালে টেলিফোন আবিষ্কার করেন। টেলিফোন আবিষ্কারের পর থেকেই তারা ভাবতে থাকে একম এক যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা যেখানে ক্যাবল ছাড়াই এক জনের কথা আরেক জন শুনতে পারবে।  

ভ্রাম্যমাণ ফোন হিসেবে প্রথম জিনিস পাওয়া যায় তা ছিল একটি গাড়িতে লাগানো টেলিফোন। ১৯১০ সালে Lars Magnus Ericson তার গাড়িতে সর্বপ্রথম টেলিফোন লাগান। যদিও তার ফোনটি বেতার তরঙ্গের ফোন ছিল না।  

১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বেতার টেলিফোন ব্যবহার করে সৈন্যরা। এই সমইয়ে বেতার টেলিফোন ব্যপক হারে ব্যবহৃত হয়। এই বেতার টেলিফোন ব্যবস্থার আবিষ্কারক ছিলেন রেজিনাল্ড ফেসেন্ডেন।

বেল ১৯৪৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে লাওস থেকে কল করে। ১৯৪৬ সালের অক্টোবরে আবার এলিয়েন বেল টেলিফোন কোম্পানির মাধ্যমে শিকাগো থেকে টেলিফোন কল করে।৩৬ কেজি ওজনের এই টেলিফোনটি ছিল ভ্যাকুয়াম টিউবের তৈরি। প্রায় ৩২ টি চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হতো। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত এই ভাবেই চলেছে যোগাযোগ ব্যাবস্থা।

বিশ্বের প্রথম মোবাইল ফোন

বিশ্বের প্রথম মোবাইল ফোন

১৯৭৩ সালে মটোরেলা কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন মিশেল।তার ইচ্ছে ছিল তিনি যোগাযোগ ব্যাবস্থায় এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে। মটোরেলা কোম্পানির একজন সিনিয়র প্রকৌশলী মার্টিন কুপারের সামনে জন মিশেল একদিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, মটোরেলা কোম্পানি বিশ্বের প্রথম মুঠোফোন তৈরি করবে। কুপার সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন এবং কাজে লেগে পড়ে। মার্টিন কুপার সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল মোবাইল ফোন থেকে কল করেছিলেন। ফোনটির নাম ছিল  DynaTAC। ফোনটি হালকা ছিলনা। ওজন ছিল ১ কেজি বা ২.২ পাউন্ডের। দৈর্ঘ্যে ৯ ইঞ্চি, উচ্চতায় ৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থে ১.৭৫ ইঞ্চি ছিল। একবার চার্জ করলে ফোনটি দিয়ে  মাএ ২০ মিনিট কথা বলা যেত কিন্তু ব্যাটারি চার্জ করতে অনকে সময় লাগতো। ফোনটি দেখতেছিল একটি ইটের মত।

মার্টিন কুপার সর্ব প্রথম নিউইয়র্কের ছিক্সথ এভিনিউ থেকে ফোনটি ব্যবহার করেন। মার্টিন কুপার এই মোবাইল ফোন দিয়ে সর্বপ্রথম কথা বলেছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী জোয়েল এঞ্জেলের সাথে। জোয়েল বেল মোবাইল ফোন তৈরির জন্য আলাদাভাবে কাজ করছিলেন। তিনি ল্যাবসের গবেষক ছিলেন। ডায়না টিএসির ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x) মোবাইল ফোনটির বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে । মার্টিন কুপার বিবিসির একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, চল্লিশ বছর আগের আবিষ্কৃত মোবাইল ফোনের আকারও যেমন বড় ছিল দামও তেমন বেশি ছিল। তিনি আরো বলেন, তিনি জানতেন একসময় মোবাইল ফোনের আকার ও দাম দুটোই মানুষের হাতের মুঠোয় চলে আসবে।

বিলাসবহুল ৫ টি মোবাইল ফোন সমন্ধে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

মোবাইল ফোন কিভাবে কাজ করে?

মোবাইল ফোন আশার আগে ছিল ল্যান্ড লাইনস। ল্যান্ড লাইন্স হল প্রতি বাড়ি বাড়ি ইলেকট্রিক ক্যাবলের মাধ্যমে কানেকশন দেওয়া ছিল। যার প্রতিটার একটি স্বতন্ত্র নম্বর থাকত। ল্যান্ড লাইনস কল গুলোকে একটি ইলেকট্রিক ক্যাবলের মাধ্যমে বহন করে আরেক কলারের কাছে পৌছিয়ে দেয়। এতে কোন ফাইবার অপটিক ক্যাবলের প্রয়োজন হত না। একটি ফোন থেকে কল দিলে সেই কল সরাসরি তারের সাথে সংযুক্ত থাকা আরেকটি ফোনে শব্দ তরঙ্গ আকারে গিয়ে পৌঁছায়।

কিন্তু মোবাইল ফোনের কাজ করে সম্পূর্ণ আলাদা প্রযুক্তিতে। মোবাইল ফোন কোন তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে না। মোবাইল ফোন কাজ করে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে। কলগুলোকে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিও তরঙ্গের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই কারনে মোবাইল ফোনে কল করতে কোন তারের প্রয়োজন হয়না।

মোবাইল ফোনে যখন কথা বলা হয় তখন এর ভেতরে থাকা একটি ছোট মাইক্রোফোন শব্দ গুলোকে ক্রমাগত আপ-ডাউন করিয়ে একটি ইলেকট্রিকাল সিগন্যালের প্যাটার্ন হিসাবে তৈরি করে। এই ইলেকট্রিকাল সিগন্যালটি অ্যানালগ পদ্ধতিতে প্রসেসিং হয়। কিন্তু ফোনের ভেতর অতিরিক্ত আরো একটি মাইক্রোচিপ থাকে। যাকে এডিসি বলা হয়ে। এডিসি ইলেকট্রিকাল সিগন্যালকে ডিজিটে (সংখ্যায়) রূপান্তরিত করে। এবার এই ডিজিট গুলোকে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ফোনের ছোট্ট অ্যান্টেনা ব্যবহার করে ছুড়ে মারা হয়। এখন এই রেডিও তরঙ্গ আলোর গতিতে বাতাসে ভাসতে থাকে ততোক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ পর্যন্ত না কোন নিকটস্থ সেলফোন মাস্তুলের অর্থাৎ টাওয়ারের কাছে পৌঁছাতে পারে।

টাওয়াটি এবার সেই সিগন্যালটি গ্রহন করে। সিগন্যালটি  পাঠিয়ে দেয় প্রধান স্টেশনের কাছে, যেখানে কার্যকর ভাবে নির্ধারিত হয়ে থাকে প্রত্যেকটি লোকাল সেলফোন নেটওয়ার্কে ঠিক কি ক্র রিসিভ করবে। প্রধান স্টেশন কল গুলোকে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে হস্তান্তর করে। একই নেটওয়ার্কে অবস্থিত দুইটি ফোনের মধ্যে কল সম্পূর্ণ হতে প্রথমে কলটি গন্তব্যের ফোনের কাছের প্রধান স্টেশনে গিয়ে পৌঁছায় এবং সর্বশেষে গন্তব্য ফোনে পৌঁছায়। কিন্তু এক নেটওয়ার্কের ফোন থেকে আরেক নেটওয়ার্কের ফোনে কল পৌঁছাতে সেই কলটিকে আরো বেশি দূরত্ব অতিক্রান্ত করতে হয়। প্রথমে দুই নেটওয়ার্কের মধ্যের একটি সংযোগ থাকতে হয় তারপর কলটি নির্দিষ্ট ফোনে গিয়ে পৌঁছায়। উপরে যে সকল বিষয় বর্ননা করা হল তা হয়ত পড়তে আপনার ১-২ মিনিট সময় লাগবে কিন্তু মোবাইল ফোনে এই সিষ্টেম গুলো সম্পন্ন হতে বেশি সময় লাগে না। নির্দিষ্ট করে বলতে না পাড়লেও তা যে ১ মিনিটের কম তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

মোবাইল ফোন বৈশিষ্ট্য ও ব্যাবহার

প্রতিটি মোবাইল কোম্পানিই তাদের ফোনকে আকর্ষনীয় করেতুলতে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ও নতুন নতুন আঙ্গ-সজ্জা নিয়ে আসছে। প্রায় পরিবর্তন করছে ইউজার এক্সপ্রিয়েন্স। গ্রাহকের কাছে আরো আকর্ষনীয় করতে তোলার প্রতিযোগীতায় সবাই মেতে উঠলেও কিছু কিছু বিষয় আছে যা সকল কোম্পানিই একই ভাবে মেইন্টেইন করে আসছে। এগুলো হচ্ছেঃ-

ব্যাটারী যা ফোনের শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। চার্জ শেষ হয়ে গেলে পুনরায় চার্জ করে ব্যাবহার করা যায় কারণ এই ব্যাট্যারিগুলো অড়িৎ কোষের যা পুনরায় চার্জ গ্রহন করতে সক্ষম।

মোবাইল ফোন দ্বারা ব্যবহারকারী কথা বলতে বা খুদে বার্তা পাঠাতে পারেন। GSM ফোনগুলায় সিম কার্ড থাকে। আর CSM ফোনগুলায় রিম কার্ড থাকে।

প্রতিটি ফোনের জন্য দুইটি করে আলাদা আলাদা আইএমইআই (IMEI) নাম্বার থাকে, যার সাহায্যে ফোনটি হারিয়ে গেলে সনাক্ত করা যায়।

 নিম্নস্তরের মোবাইল ফোনকে প্রায়ই ফিচার ফোন বলে ডাকা হয়। কারণ এগুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক টেলিফোন যোগাযোগ সুবিধা দেয়। অর্থাৎ এই ফোনগুলো দিয়ে কথাবলা ও এই বাদে কিছু কিছু কাজ করা যায়। আবার কিছু মোবাইলফোন আছে যেগুলা অগ্রসর সুবিধা যেমন, কম্পিউটারের মত সেবা প্রদান করে তাদেরকে স্মার্টফোন বলা হয় বলে।

অনেক মোবাইলফোনে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীকে উদ্দেশ্য করে তৈরী করা হয়েছে। যেমন  ব্ল্যাকবেরি কর্পোরেট ব্যাক্তি, ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ ই-মেইল সুবিধা নিয়ে এসেছিল। Sony-Ericsson গান শোনার বিশেষায়িত ‘ Walkman’ সিরিজ বা ‘Cyber-shot’ ক্যামেরা ফোন, Nokia N সিরিজ মাল্টি মিডিয়া ফোন এবং আইফোন সিরিজ বা স্যামসাং এর গ্যালাক্সী S সিরিজ।

অনেক মোবাইল ফোনকে স্মার্ট ফোন বলার পেছনে কিছু কারণ আছে।নিচে কারণগুলো উল্লেখ করা হল

ই-মেইল(EMAIL) বা এস এম এস(SMS) প্রেরণ ও গ্রহণ, ইন্টারনেট ব্যাবহার করা যায় স্মার্ট ফোনগুলাতে তাই বর্তমান বিশ্বে ব্যাবহারের দিক দিয়ে স্মার্ট ফোন অনেক এগিয়ে, গেমস খেলা, ক্যালকুলেটর,ভিডিও করা ও ছবি তোলা, সময় দেখা, বিকাশ রকটে নগদসহ যত অনলাইন ব্যাংকিং তাছে তা সঠিকভাবে চালোনা করা। গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল, ডিস বিল ইত্যাদি প্রদান করা, বাস ট্রেন প্লেনের টিকিট বুকিং দেওয়া সহ আরো হাজারো কাজ করা যায় স্মার্ট ফোনের সাহায্যে।  

 আগে ফোন বলতে মনে করা হত যা দিয়ে একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে পারে সেই মেশিন কিন্তু বর্ত্মানে মোবাইলফোন অনেক আলাদা। বর্তমানে মোবাইলফোন শুধু কল করতে ব্যাবহার করা হয় না বরং বর্তমান মোবাইল ফোন দিয়ে আরো হাজার রকমের কাজ করা যায়। আগের মোবাইলের কী-প্যাড ছিল খুবই মূল্যবান, যা দিয়ে পুরো ফোনটাকে কন্ট্রোল করা হত। কিন্তু বর্তমান সময়ে প্যাকী-ড এর ব্যাবহার খুবই কম তার কারন টার্চ স্কীন মোবাইল ফোন। টর্চ স্কীন মোবাইল ফোনের আদোলে কী-প্যাড একপ্রকার হারিয়ে গিয়েছে।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের অবির্ভাব

১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে মোবাইলফোন চালু করা হয়। ঢাকাতে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাচিসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড মোবাইলফোন সেবা শুরু করে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ৪টি মোবাইল ফোন কোম্পানী রয়েছে। এদের মধ্যে ৪টি GSM প্রযুক্তির মোবাইল সেবা দিচ্ছে। তবে সিটিসেল CDMA প্রযুক্তির মোবাইল সেবা দিয়ে থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ হয়ে গেছে। সব GSM মোবাইল কোম্পানি ২০১৩ সাল থেকে তৃতীয় প্রজন্মের 3G সেবা দেওয়া শুরু করেছে। অপারেটরদের মধ্যে একমাত্র  Teletalk বাংলাদেশি কোম্পানি। বর্তমানে Robi ও Airtel একীভূত হয়ে রবি নামে কাজ করছে। বাংলাদেশের মোবাইল নম্বর গুলো ০১ দিয়ে শুরু। কান্ট্রি কোড সহ নম্বর হয় +৮৮০১*****।মোট ১১ ডিজিটের নম্বর ব্যবস্থা চালু এখন। বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানীগুলো হল:

Citycell Code – 011

Teletalk Code-015

Grameenphone Code -017, 013

Robi Code -018

Airtel Code – 016

Banglalink Code -019, 014

আরো জানুন বিশ্বের সেরা ৫ টি স্মার্টফোন ও তার দাম

মোবাইল ফোন ব্যবহারে হার

১৯৯০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সমস্ত বিশ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাড়ে ১২ মিলিয়ন থেকে প্রায় ৬ বিলিয়নের কাছাকাছি হয়েছে। মোট জনসংখ্যা প্রায় ৮৮% এখন মোবাইল ব্যাবহার করছে। ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী ৬৫% মানুষ ব্যাক্তিগত মোবাইলফোন ব্যাবহার করে। সকল পরিসংখ্যান বিশ্লেষন করে দেখা যাচ্ছে আর মাত্র এব বা দুই শতকের মধ্যে বিশ্বের সমস্ত মানুষ ব্যাক্তিগত ভাবে মোবাইলফোন ব্যাবহার করবে।

বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে মানুষ সমস্ত কিছু অতি সহযে করার চেষ্টা করে থাকে। আর মোবাইল ফোন সেই সহজ করার কাজটিই করে থাকে। তাই বলা চলে বিজ্ঞানের এই অনবদ্য সৃষ্টি হল মোবাইলফোন। আর বর্তমান পৃথিবীর উন্নতির পেছনে মোবাইলফোনের অবদান অনস্বীকার্য।


বিভিন্ন মোবাইল ফোনের দাম জানতে ক্লিক করুন

Sourav Das

Hi,

I am Sourav Das. I have been writing on Jibhai for about 1 year. This is my site and I am a part of Jibhai.

Thanks

About Sourav Das

Hi,I am Sourav Das. I have been writing on Jibhai for about 1 year. This is my site and I am a part of Jibhai.Thanks

View all posts by Sourav Das →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *