মানবাধিকার কি? মানবাধিকার কর্মীর কাজ কি? সব জানুন

মানবাধিকার 

মানুষ হিসেবে একজন ব্যাক্তি যে সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার লাভ করে তাকেই মানবাধিকার বলে। মানবাধিকার হচ্ছে এমন একটি ধারণা, যা অধিকার খর্বিত হওয়ার পর থেকেই বিকাশ লাভ করেছে৷ যেকোনো ধরনের জুলুম, নির্যাতন, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানবাধিকার ধারণাটি বিস্তৃতি লাভ করেছে৷ মানুষের কিছু মৌলিক অধিকার থাকলেও মানবাধিকারের ধারণা ব্যাপক ও বিস্তৃত। মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কিংবা রাষ্ট্র গুরুদায়িত্ব পালন করে। কিন্তু মানবাধিকার একটি বিশ্বজনীন ও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত একটি বিষয়।

মানবাধিকার কি?

একজন মানুষ হিসেবে অথবা বিশ্ব মানবতার একজন সদস্য হিসেবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে ব্যাক্তিত্ব বিকাশ ও আত্মপরিচয় বহনের সুযোগ-সুবিধার অধিকার হল মানবাধিকার।

মানবাধিকার কাকে বলে?

একজন মানুষ হিসেবে অথবা বিশ্ব মানবতার একজন সদস্য হিসেবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে ব্যাক্তিত্ব বিকাশ ও আত্মপরিচয় বহনের সুযোগ-সুবিধার অধিকার কে মানবাধিকার বলে। এটি একটি বিশ্বজনীন ধারণা। প্রত্যেকটি মানুষের রয়েছে সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও নিরাপত্তা লাভের অধিকার। আর এসব অধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয় যেখানে তা হচ্ছে মানবাধিকার। একটি স্বৈরাচারী রাষ্ট্রের নাগরিক হয়েও একজন মানুষ মানবাধিকার লাভ করতে পারে। আর্থ-সামাজিক উন্নতিতে মানবাধিকার নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা থাকলেও একজন মানুষ পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে গিয়ে মানবাধিকার লাভ করবেন এটা মানবাধিকারের মুল কথা।

মানবাধিকার গুলো কি কি?

মানবাধিকার গুলো ঠিক কি কি এগুলো নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। মানবাধিকার ঠিক নির্দিষ্ট করে একটি বৃত্তের মধ্যে নিয়ে আসা যায়না। তবে পরিষ্কার ধারণার জন্য মানবাধিকারগুলো কেমন হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করবো। মানুষের যে অধিকারগুলো বহুল প্রচলিত ও পরিচিত সেগুলো হচ্ছে, বেচে থাকা বা জীবন ধারণের অধিকার, বাক-স্বাধীনতার অধিকার, স্বাধীনভাবে নিজের ধর্ম পালন করার অধিকার, সরকারের সমালোচনা করার অধিকার, স্বাধীন চিন্তা ও মতামত প্রকাশ করার অধিকার।

মানবাধিকার
মানবাধিকার

যেহেতে বিশ্বে শান্তি ও ন্যায় বিচারের ভিত্তি হচ্ছে মানব পরিবারের সদস্য হিসেবে অবিচ্ছেদ্য অধিকার ও সহজাত মর্যাদার স্বীকৃতি। তাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মানবাধিকারের একটি সার্বজনিন ঘোষণাপত্র জারি করেছে। এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী মানবাধিকারের ৩০ টি ধারার কথা উল্লেখ রয়েছে। এসব ধারা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

  • সকল মানুষ স্বাধীনভাবে সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে জন্মাবে। সকলেই একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃত্বসূলভ আচরণ প্রদর্শন করবে। 
  • ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ভাষা, জন্ম প্রভৃতি নির্বিশেষে প্রত্যেকেই সমান অধিকার ভোগ করবে। 
  • আন্তর্জাতিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোনো দেশের নাগরিক, সে যেকোনো দেশেরই হোক না কেনো, স্বাধীন বা পরাধীন তার প্রতি কোনোরুপ বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবেনা। 
  • প্রত্যেকেরই জীবনের ও দৈহিক নিরাপত্তা লাভের অধিকার রয়েছে। 
  • সকল প্রকর দাসপ্রথা নিষিদ্ধ। কাউকে দাসে পরিণত করা যাবেনা। ক্রীতদাস প্রথা বা দাসব্যাবসা বিলুপ্ত করা হবে।
  • কাউকে নির্যাতন, নিষ্ঠুর আচরণ বা অমানবিক আচরণ করা যাবেনা বা এরূপ শাস্তি প্রদান করা যাবেনা।
  • আইনত সকলের ব্যাক্তি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করার অধিকার আছে।
  • সকলে আইনের চোখে সমান। আইনের কাছে সকলে সমানভাবে আশ্রয়গ্রহণ করার সুযোগ পাবে। কারো প্রতি আইনগত বৈষম্য করা যাবেনা।
  • মৌলিক অধিকার লংঘন হয় এমন ক্ষেত্রে জাতীয় বিচার আদালতের কাছে থেকে কার্যকর প্রতিকার লাভের অধিকার সকলের আছে। 
  • ইচ্ছেমতো কাউকে গ্রেপ্তার করা বা নির্বাসন দেওয়া যাবেনা। 
  • নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নিজের বিরুদ্ধে আনীত কোন ফৌজদারী অভিযোগ নিবারনের জন্য একটি নিরপেক্ষ বিচার আদালতে প্রকাশ্য শুনানি লাভের অধিকার।
  • দন্ডপ্রাপ্ত অপরাধে অভিযুক্ত হলে আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ লাভ এবং অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ গণ হওয়ার অধিকার।
  • কাউকে এমন কোনো কাজের জন্য শাস্তি দেয়া যাবেনা যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনে দন্ডনীত অপরাধ হিসেবে গণ্য নয়৷ যে শাস্তি প্রাপ্য তার চেয়ে গুরুতর শাস্তি দেয়া যাবেনা।
  • কারো ব্যাক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা বা তার সম্মান ও মর্যাদার উপরে আঘাত করা যাবেনা। কেউ এমন অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করার অধিকার সকলের রয়েছে৷
  • নিজ রাষ্ট্রে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার সকলের রয়েছে।
  • প্রত্যেকেরই নিজ দেশ বা অন্য দেশ ত্যাগ বা প্রত্যাবর্তন করার অধিকার রয়েছে।
  • যুলুম বা নির্যাতন থেকে বাচতে অন্য দেশে আশ্রয় গ্রহণের অধিকার প্রত্যেকের রয়েছে।
  • প্রত্যেক ব্যাক্তির জাতীয়তা লাভের অধিকার।
  • কোনো ব্যাক্তিকে জোড়পূর্বক বা অন্যায়ভাবে জাতীয়তা থেকে বঞ্চিত করা যাবেনা জাতীয়তা পরিবর্তন করার অধিকার অগ্রাহ্য করা যাবেনা৷
  • ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে পূর্ণ বয়ষ্ক নারী-পুরুষের বিয়ে ও পরিবার গঠনের অধিকার রয়েছে৷ তেমনি বিবাহবিচ্ছেদ করতেও সমান অধিকার ভোগ করবে।
  • বিয়ের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের স্বাধীন ও পূর্ণ মতামতের ভিত্তিতে বিয়ে সম্পন্ন হবে।
  • একটি পরিবার রাষ্ট্রের কাছে থেকে নিরাপত্তা লাভ করার অধিকার রয়েছে৷
  • প্রত্যেকের এককভাবে অথবা মিলিতভাবে সম্পত্তির মালিক হওয়ার অধিকার আছে৷
  • কাউকে অন্যায়ভাবে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবেনা।
  • প্রত্যেকের স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করা, স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করা, রাষ্ট্র কিংবা রাষ্ট্রের বাইরে স্বাধীনভাবে তথ্য জ্ঞ্যাপন, সন্ধান ও গ্রহণের অধিকার আছে৷ 
  • কাউকে জোড় করে সংঘভুক্ত করা যাবেনা। প্রত্যেকের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করা ও সমতি গঠনের আছে।
  • প্রত্যেকের স্বাধীনভাবে চাকুরী করার অধিকার, কাজের অনুকূল পরিবেশ লাভের অধিকার, সমান কাজের জন্য সমান বেতন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। 
  • মাতৃত্ব এবং শৈশবাবস্থায় প্রতিটি নারীর যত্ন ও সাহায্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে৷ 
  • প্রত্যেকেরই শিক্ষালাভের অধিকার, প্রাথমিক ও মৌলিক শিক্ষার অধিকার রয়েছে। মেধার ভিত্তিতে সকলের উচ্চতর শিক্ষা লাভের অধিকার রয়েছে। 
  • প্রত্যেকের স্বাধীনভাবে সংস্কৃতি চর্চার অধিকার, শিল্পকলায় অংশগ্রহণ এবং বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও তার সুফল লাভে অংশ নেয়ার অধিকার রয়েছে। 
  • কোনো রাষ্ট্র, বাক্তি বা গোষ্ঠী এই ঘোষণা পত্রের বিকৃতি ঘটিয়ে উল্লিখিত অধিকার নস্যাৎ করতে পারবেনা। 

জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা কর্তৃক ঘোষিত এসব মানবাধিকার সংক্রান্ত ধারাগুলো পুরো বিশ্বে মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

মানবাধিকার কর্মীর কাজ কি

মানুষের অধিকার রক্ষা করার কাজই হচ্ছে মানবাধিকার কর্মীর কাজ। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করার জন্য যদি আপনি মন থেকে চান তাহলে আপনি একজন মানবাধিকার কর্মী হতে পারবেন। এখন আপনার মনে একটি প্রশ্ন থাকতে পারে যে, মানবাধিকার কর্মীদের কাজ কি? মানবাধিকার কর্মীর কাজ করে তাদের কি লাভ হয়? মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের কিছু মৌলিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু সমাজে দেখা যায় সাধারণ মানুষ তাদের সেসব অধিকার থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে। তাই মানুষকে তার অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য মানবাধিকার কর্মীরা কাজ করেন। 

মানবাধিকার কর্মী

একজন মানবাধিকার কর্মী তার প্রতিবেশীর দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা, খারাপ-ভালো সবসময় পাশে থাকেন। মানবাধিকার কর্মীরা তাদের কাজকে ভালোবেসে মন থেকে গ্রহণ করেন। কারণ সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া যদি আপনার হৃদয় স্পর্শ না করে তাহলে আপনি একজন ভালো মানবাধিকার কর্মী হতে পারবেন না। 

একজন আদর্শ মানবাধিকার কর্মী তার সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সব সময় সচেষ্ট থাকেন। কোনো ব্যাক্তি বা গোষ্ঠী যদি কোনো ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করে অথবা অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাহলে মানবাধিকার কর্মীরা এগিয়ে আসেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য। কারণ মানবাধিকার কর্মীদের সুস্থ বিবেকবোধ থেকে তারা এগিয়ে আসেন। অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা লড়াই করে যান।

ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষিকা, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী যে কেউ চাইলে একজন মানবাধিকার কর্মী হতে পারেন। রাষ্ট্রের সাথে তাল মিলিয়ে মানবাধিকার কর্মীরা অধিকার আদায়ে কাজ করে যান। মানবাধিকার কর্মীরা কাজ করেন শান্তিপূর্ণভাবে। 

তারা সহিংস পন্থায় অধিকার আদায়ে কাজ করেন না। আমাদের দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রয়েছে। এই কমিশন মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মানবাধিকার কর্মীরা যেমন মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে যান তেমনি রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব রয়েছে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন 

সারাবিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় বিভিন্ন দেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা কাজ করছে৷ বাংলাদেশেও সরকারিভাবে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জাতী মানবাধিকার কমিশন। বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। এটি সরকারের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা৷ যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। কিন্তু এটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের আলোকে গঠিত হয়েছিলো।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন 
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন 

২০০৯ সালে অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান হিসাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যাত্রা শুরু করে৷ এটি চালিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান অনুযায়ী। আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন মানবাধিকার সন্মেলন, চুক্তি স্বাক্ষর, মূল্যাবোধ, ব্যাক্তি স্বাধীনতা অর্জন ও প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর থেকে কাজ শুরু করে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এছাড়া এই কমিশনের সদস্য নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে সাত সদস্য বিশিষ্ট বাছাই কমিটি গঠিত হয়।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান

সর্বশেষ হাল-নাগাদ তথ্য অনুযায়ী (১৯ অক্টোবর, ২০২১)

বর্তমান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হচ্ছেন, 

  • নাছিমা বেগম, এনডিসি। 

এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যবৃন্দরা হচ্ছেন,

  •  ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ,     সার্বক্ষণিক সদস্য
  • নারায়ণ চন্দ্র সরকার, সচিব

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নাম ও ঠিকানা

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নাম ও ঠিকানা

বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য ১০ টি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নাম এবং ঠিকানা নিচে দেয়া হলো

আইন সহায়তা দানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ

১. নামঃ 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

ঠিকানা

গুলফেশা প্লাজা, ভবনের ১১ তলা 

৮ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক

বড় মগবাজার, ঢাকা- ১২১৭

ফোন : চেয়ারম্যান-৮৮-০২-৯৩৩৫৫১৩

পূণকালীন সদস্য : ৮৮-০২-৯৩৩৬৩৬৩

সেক্রেটারী: ৮৮-০২-৯৩৩৬৩৬৩

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩৩৩২১৯

ওয়েবসাইট : www.nhrc.org.bd

ই-মেইল : [email protected]

০২. নামঃ

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন

ঠিকানাঃ

প্রধান কার্যালয়

ফ্ল্যাট নং-সি/২ (২য় তলা)

২২২/খ, মালিবাগ, ঢাকা১২১৭।

ফোন: ৮৮-০২-৯৩৬১৩৫৩, ৯১৪৩২৯৩

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৯৩৪৩৫০১, ৮৩২১০৮৫

ওয়েবসাইট : www.bhrc-bd.org

ইমেইল : [email protected]

০৩. নামঃ

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

ঠিকানাঃ

১০/বি/১, সেগুন বাগিচা, ঢাকা-১০০০

ফোন : ৮৮-০২-৭১৬৯৭০১

ওয়েবসাইট : www.mahilaparishad.org

ইমেইল : [email protected]

০৪. নামঃ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হিউম্যান রাইটস

ঠিকানাঃ

২৭, বিজয়নগর, ঢাকা-১০০০।

মোবাইল : ০১৭২০৩০৮০৮০

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩৫২১৬৬

ই-মেইল : [email protected]

০৫. নামঃ

অধিকার

ঠিকানা

বাড়ী নং ৩৫, রোড নং ১১৭

গুলশান-১, ঢাকা।

ফোন : ৮৮-০২-৯৮৮৮৫৮৭, ০১৭৪৯২৯৩৭৮৯

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৯৮৮৬২০৮

ওয়েবসাইট : www.odhikar.org

ইমেইল : [email protected]

০৬. নামঃ

হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ইউনিট, ব্রাক

ঠিকানাঃ

ব্রাক সেন্টার, 75, মহাখালী, ঢাকা-১২১২

ফোন : ৮৮-০২-৯৮৮১২৬৫

এক্সটেনশন:৩২৭১ (পরিচালক)

এক্সটেনশন : ৩২৭৬ (সিনিয়র স্টাফ লইয়ার)

ফ্যাক্স: ৮৮-০২-৮৮২৩৫৪২

ওয়েবসাইট : www.brac.net

ইমেইল : [email protected]

০৭. নামঃ

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএ)

ঠিকানাঃ

মনিকো মিনা টাওয়ার

৪৮/৩, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭

ফোন : ৮৮-০২-৮১১২৮৫৮, ৯১৪৩২৯৩

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১১২৮৫৮, ৯১৪৩২৯৩

ওয়েবসাইট : www.bnwlabd.org

ই-মেইল : [email protected]

০৮. নামঃ

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)

ঠিকানাঃ

১/১ পাইওনিয়ার রোড, কাকরাইল, ঢাকা- ১০০০

ফোন- ৮৮-০২-৮১২৬১৩৪, ৮১২৬১৩৭, ৮১২৬০৪৭

মোবাইলঃ ০১৭১৫-২২০২২০

ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৯৩৪৭১০৭

ওয়েব সাইট- www.blast.org.bd

ই-মেইল- [email protected]

০৯. নামঃ

আইন ও সালিশ কেন্দ্র 

ঠিকানা

৭/১৭, ব্লক-বি,

লালমাটিয়া, ঢাকা-১২০৭

ফোন- ৮১২৬১৩৭, ৮১২৬১৩৪, ৮১২৬৪০৭

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১২৬০৪৫

ই-মেইল: [email protected]

১০. নামঃ

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা

ঠিকানাঃ

জাতীয় মহিলা সংস্থা ভবন (৮ম তলা)

১৪৫, নিউ বেইলী রোড, ঢাকা-১০০০

ফোন : ৮৮-০২-৮৩৩১৯০৬, ৮৩৩১১৫১

ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৯৩৩১৭৩৭

হটলাইন : ০১৭৬১২২২২২২-৪

ওয়েবসাইট : www.nlaso.gov.bd

ই-মেইল : [email protected]

জেলা কার্যালয়ঃ

জেলা লিগ্যাল এইড অফিস

সকল জেলা জজ আদালত ভবন

আরো পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে পার্থক্য

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা

বর্তমানে বহুল পরিচিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হচ্ছে ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’। এটি একটি বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক সাহসী ও প্রশংসার সাথে সংস্থাটি কাজ করে আসছে। এই সংস্থাটি যেসব বিষয় নিয়ে কাজ করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, মানব অধিকার বিষয়ক গবেষণা, সমর্থন এবং পরামর্শ দান করা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত৷

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

বেসরকারী আমেরিকান প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৭৮ সালে প্রথম এই সংস্থাটি আত্মপ্রকাশ করে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর কার্যালয় রয়েছে৷ এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হচ্ছে, ব্রাসেলস, শিকাগো, বার্লিন, বৈরুত, লন্ডন, প্যারিস, টোকিও, মস্কো ইত্যাদি। 

পরিশেষে

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র থেকে শুরু করে সমাজ এবং ব্যাক্তি পর্যায়েও এগিয়ে আসতে হবে। এখনো আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছে এবং অনেক ঘটনা ঘটিছে যার মাধ্যমে মানবাধিকার ভূলন্ঠিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

Mehedi Hasan

আমি মেহেদী হাসান শাওন। পড়াশোনা করছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। লেখালিখি করা আমার প্রিয় শখ।

এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Comment