যে ১৫টি টিপস একজন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষার্থীকে জানা প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য যেসব গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষাঃ

আসসালামু আলাইকুম,আশা করি সকলেই ভালো আছো।অবশ্য বন্দী জীবনে বেশি ভালো থাকা যায়না। আজ আমি তোমাদের যে বিষয়ে ধারণা দিবো তা হলো, কি কি কাজ গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ;

১)প্রথমে চিন্তা করতে হবে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষা দিবা।

২)সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ইউনিটে পরীক্ষা দিবা।

৩)এবার চিন্তা করতে হবে তুমি আসলে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ইউনিটে পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা আছে।

৪) ১,২ ও ৩ নম্বর ধাপের পর তুমি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ইউনিটে পরীক্ষা দিবা তার প্রশ্নব্যাংক কিনে নিবা।

৫)প্রশ্নব্যাংক হাতে নিলে বুঝতে পারবা প্রশ্নের ধরণ,তাই সবগুলো প্রশ্নব্যাংকের প্রিভিয়াস প্রশ্নগুলোতে শুধু চোখ ভুলিয়ে ধারণা নিবা যে আসলে কি কি প্রশ্ন আসে,বা প্রশ্ন প্যাটার্ন কিরূপ?

৬)এবার চিন্তা করো যে,কোচিং করবা কিনা?আমি বলব হ্যা,তুমি যতই পারো, কোচিং পড়া উচিৎ।কোচিং এর গুরুত্ব নিয়ে পরবর্তী পার্টে লিখবো।

৭) সময় কিন্তু খুব কম,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি যুদ্ধে জয়ী হওয়ার একমাত্র উপায় সময়কে কাজে লাগানো।তাই প্রতিটা সময় হিসেব করে ব্যয় করাটা এই মুহুর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।



৮)কোচিং এ প্রতিদিন যে শিট দিবে সেই শিটের পড়া সেদিনেই শেষ করার চেষ্টা করবা।এতে কনফিডেন্স বাড়বে।

৯)নিজেকে সুস্থ রেখে যতটুকু সময় নিয়ে পড়া যায় ততটুকুই পড়বা।আমি কাওকে বলিনা মনের বিরুদ্ধে পড়াশোনা করার,কারণ মনের বিরুদ্ধে যা পড়া হয় তা কোনদিন কাজে আসেনা।তবে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। Because, without study you can’t take place in a public University.

১০)কোচিং ল্যাকচার শেষ করলেই হবেনা,সাথে মেইন বই ও পড়তে হবে।এতে করে রিটেনে ভালো করতে পারবা।

১১)আর একটা জিনিস সাধারণ জ্ঞানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হলো প্রতিমাসের কারেন্ট এফেয়ার্স প্রতি মাসেই ভালো করে শেষ করা।

১২) যতটুকু পড়বা,তার চেয়ে বেশি প্র‍্যাক্টিস করবা।পুরাতন একটা কথা আছে, practice makes a man perfect. তাই নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি যুদ্ধে শক্তিশালী করার জন্য প্রচুর প্রশ্ন সলভ করতে হবে।

১৩)নিজেকে সবসময় পারিবারিক ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখবা,যত পারো কম খরচ করে বই কিনবা।



১৪)সুপ্রিয় বন্ধু-বান্ধব থাকলে বুঝিয়ে বলবা যে কিছুদিন তোমার রেস্ট দরকার, অর্থাৎ যত পারো আড্ডা বা ফোনে সময় কম দেওয়ার চেষ্টা করবা।সময় গেলে সময় আসবেনা,বন্ধু গেলে অনেক বন্ধু বা প্রিয়তম/প্রিয়তমা আসবে।

১৫)পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার চেষ্টা করবা এবং সু-সাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত খাবার খেতে হবে।এ সময়টাতে বেশি বেশি পানি পান করবা এতে মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকবে।

দয়া করে মোবাইলকে কম ব্যবহার করবা,সময় নষ্ট করার জন্য একটা মোবাইলেই যথেষ্ট।

আশাকরি বিষয়গুলো মাথায় রাখলে অবশ্যই ভালো কিছু করবা,নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছি।বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য এ বিষয়গুলো অত্যন্ত জরুরি। পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় কি জিনিস ভর্তি না হলে বুঝতে পারবেনা।এখানে থাকে নিজেকে ডেভেলপ করার সুন্দর প্ল্যাটফর্ম এবং পূর্ণ স্বাধীনতা।

এ বিষয়ে অন্য পার্টে লিখবো। আমাদের ধারাবাহিক পর্ব শুরু হয়েছে , জ্বিভাইডটকম এই সাইটে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পারিক্ষা , সকল আপডেট দেয়া হবে।তাই তোমরা এই সাইট নিজস্ব ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখবে।

ধন্যবাদ, দেখা হবে পাব্লিকিয়ান পরিবারে

মোঃমিলন শেখ

লোকপ্রশাসন বিভাগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

I am the Admin Of Jibhai.com and also part of jibhai.com

1 thought on “যে ১৫টি টিপস একজন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষার্থীকে জানা প্রয়োজন।”

Leave a Comment