নবজাতকের যত্ন

নবজাতক শিশুর যত্ন

সদ্যজাত শিশুর যত্ন

নবজাতকের যত্ন

সদ্যোজাত শিশুকে খাওয়ানো

নবজাতকের যত্ন
নবজাতক শিশুর খাওয়ানো

প্রথমত বাচ্চাকে সময়মতো দুধ খাওয়ান। যদি আপনি চান আপনার শিশু সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে গড়ে উঠুক তাহলে প্রতি ২-৩ ঘন্টা অন্তর অন্তর বাচ্চাকে এক বার দুধ খাওয়ান। সাধারণত তিন মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চা অন্তত ১৮-২০ ঘন্টা ঘুমিয়ে থাকে। অনেকসময় দুধ না খেয়ে বাচ্চা ঘুমাতে থাকে।তবে আপনাকে ভুললে চলবে না আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে দুধ খাওয়াতে।ঘুমন্ত অবস্থা থাকলে বাচ্চাকে জাগিয়ে দুধ খাওয়াবেন। এছাড়া দুধ খাওয়ানোর সময় বাচ্চার মাথা শরীরে থেকে একটু উচুতে রাখবেন।তাহলে দুধ সোজা বাচ্চার পেটে যাবে এবং তারাতাড়ি হজম করতে সহায়তা করে। বিচানায় শুয়ে শুয়ে কখনও বাচ্চাকে দুধ খাওয়াবেন না। এবং প্রত্যেকবার বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর পর অবশ্যই ঢেকুর উঠাবেন এতেও তারাতাড়ি হজমের সহায়তা করে।

নবজাতকের রোদ পোহানো

নবজাতকের শিশুর রোদ পোহনোর উপকারিতা
নবজাতকের শিশুর রোদ পোহানো

সকাল ৮-৮ঃ৩০ টা পর্যন্ত সূর্যের আলো কিছুটা হালকা থাকে। যা শিশুর হাড়ের জন্য খুবেই উপকারী। এসময় শিশুকে কিছুক্ষণ রোদ লাগবেন। তবে শিশুর মাথা, চোখ ও মুখে যাতে রোদ না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। মুখের নিচ থেকে পুরো শরীরে রোদ লাগবেন। এভাবে ৫-১০ মিনিট রোদ লাগবেন প্রতিদিন।

সদ্যজাত শিশুর নাভির যত্ন

নবজাতক শিশুর নাভি কষিয়ে পড়তে ৭-১০ দিন সময় লাগে। শিশুর নাভিতে কোনরকম তেল,ঘি ও ঔষুধ লাগাবেন না। নাভি পুরোপুরি না শুকানোর আগ পর্যন্ত নাভিতে যে জল না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

সদ্যোজাত শিশুর গোসল

নাভি ভালোভাবে না শুকানোর আগ পর্যন্ত শিশুকে পানি ঢেলে গোসল করাবেন না। তখন একটা সুতি পাতলা কাপড় মুচে দিবেন। নাভি শুকিয়ে গেলে অল্প অল্প পানি ঢেলে গোসল করাতে পারবেন।এভাবে সপ্তাহে ২-৩ দিন গোসল করাবেন। গোসল করানোর আগে পানি হালকা কুসুম গরম করে নিবেন।

নবজাতক শিশুর নখের যত্ন

সদ্যজার শিশুর যত্ন
নবজাকের নখের যত্ন

নবজাতক শিশুদের নখ খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যায়। নখ সবসময় ছোট করে কেটে রাখবেন। কারণ নখ বড় থাকলে দেখা যায় হাত-পা নড়াচড়া করার পর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আচঁড় লেগে যায়।তবে শিশু ঘুমানোর সময় নখ কাটতে চেষ্টা করবেন।

নবজাতকের তেল মালিশ

এসময় শিশুদের নতুন চামড়া গজাতে সাহায্য করে। পুরোনো যে চামড়া আছে সেটা উঠে যায় এবং লোম যদি থাকে সেটাও উঠে যায়।সুতরাং শিশুদের তেল মালিশ করা দরকার। এবং শিশুদের দিনে দুইবার তেল মালিশ করবেন।একবার গোসলের সময় আরেকবার সন্ধ্যার দিকে।তেল মালিশ করার আগে হালকা গরম করে নিবেন।

নবজাতক শিশুর ঘরের তাপমাত্রা

 নবজাতক শিশুর যত্ন
সদ্যোজাত শিশুর ঘরের তাপমাত্রা

যে ঘরে শিশুকে রাখবেন সেই ঘরের তাপমাত্রা ২৫-২৮ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন। এই ঘরে অবশ্যই মশার কয়েল বা ধুব জ্বালাবেন না। কারণ এর ধোয়া শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবেই ক্ষতিকর।

শিশুর জামা-কাপড়

যদি শিশু গরমকালে হয়ে থাকে তাহলে হালকা কালারের পাতলা সুতি কাপড় পড়াবেন।আর শীতে সময় সুতির মধ্যে শীতের কাপড় পড়াবেন। কখনও উলের কাপড় নবজাতক শিশুকে পড়াবেন না। কারণ উলের কাপড় খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায় যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর।শিশুদের জামা সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন।

নবজাতক কিভাবে কোলে নিবেন?

৩ মাস পর্যন্ত বাচ্চাদের হাড় খুবেই নরম থাকে।বিশেষ করে ঘাড়ের হাড়।তাই যখনেই কোলে নিবেন বাচ্চাকে তখর বাচ্চার ঘাড়ের পেছনে একটি হাত অবশ্যই রাখবেন। ৩ মাস বয়সের আগে শিশুকে বসানোর চেষ্টা করবেন না।খুব জোরে নড়াচড়া করবেন না এতে শিশুর ব্রেইনে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মিতু আক্তার

আরো পড়ুন

গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা ও যত্ন

ডায়েট আলোচনা: কিটো, লো-কার্ব, ওয়াটার ফাস্টিং, এগ ডায়েট

চুলের যত্ন ২০২১

Hi, I am Mitu,  I have been writing on Jibhai for about 1 year, this is our site, and I am a part of Jibhai. Thanks

Leave a Comment